সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:০৪
শিরোনাম :
মাদ্রাসাগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ, সাহায্য করবে সরকার ব্যবসার প্রয়োজনে স্ত্রীর কাছে টাকা চাইলে তা ‘যৌতুক’ নয়: হাইকোর্ট কোনো মেয়ের স্বপ্ন যেন অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বা বৈষম্যের কারণে থেমে না যায়: প্রধানমন্ত্রী দিল্লিতে বিমসটেকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমজানে খাদ্য সরবরাহে সংকট হবে না, পর্যাপ্ত মজুত আছে: খাদ্যমন্ত্রী কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি থেকে ব্যাংক খাত পুনর্গঠনে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন: গভর্নর পতনের দ্বারপ্রান্তে মোদি,দিল্লিতে বড় বিক্ষোভের ডাক ইন্ডিয়া জোটের দারিদ্র্যতা,অনিশ্চিত আবাসন ও ভ্রাম্যমাণ জীবনে শিক্ষাবঞ্চিত বেদে শিশুরা আন্তর্জাতিক ভাষা প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক জিতলেন বিএম কলেজের রিফাত বিদায় বেলায় অবরুদ্ধ দুর্নীতির বরপুত্র বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা

পারমাণবিক শক্তিচালিত রণতরীতে আগুন, অসহায় ৬০০ মার্কিন নাবিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ডে লাগা আগুন নেভাতে ৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। গত সপ্তাহে লাগা ওই আগুনে থাকার জায়গা হারিয়েছে কয়েকশ মার্কিন নাবিক। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের তথ্য ও জাহাজের ক্রুদের বরাতে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, আগুনের সূত্রপাত জাহাজের প্রধান লন্ড্রি অংশে। সম্ভবত একটি ড্রায়ারের ভেন্টে। সেখান থেকে আগুন ভেন্টিলেশন ডাক্ট দিয়ে জাহাজের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, নাবিকরা একাধিক অংশে টানা এক দিনেরও বেশি সময় ধরে আগুনের সঙ্গে লড়াই করার পর অবশেষে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

এই ঘটনায় ৬০০-র বেশি নাবিক ও ক্রু তাদের বাঙ্ক বা শয্যা হারিয়েছেন। আগুন বা ধোঁয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অনেকেই এখন জাহাজের মেঝে, টেবিল বা অস্থায়ী জায়গায় ঘুমাচ্ছেন। প্রায় ৪,৫০০ নাবিক ও বিমানচালক বহনকারী এই রণতরীটি বর্তমানে দীর্ঘ ১০ মাসেরও বেশি সময় ধরে মোতায়েন রয়েছে।

তবে জেরাল্ড ফোর্ডে লাগা আগুনের তীব্রতা সত্ত্বেও, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, জাহাজটির ইঞ্জিন বা চলাচল ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং এটি এখনো পুরোপুরি কার্যকর রয়েছে।

এ ঘটনায় দুজন নাবিক সামান্য আহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন ধোঁয়া শ্বাস নেওয়ার কারণে অসুস্থ হয়েছেন বলে জানা গেছে।

দীর্ঘ সময় মোতায়েন থাকায় যুদ্ধজাহাজটির ওপর নতুন চাপ তৈরি করেছে। জাহাজটি প্রথমে ভূমধ্যসাগর, পরে ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং সর্বশেষ মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়।

নৌ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের দীর্ঘ সময়ের মোতায়েন জাহাজ ও ক্রু উভয়ের ওপরই চাপ সৃষ্টি করে। এতে রক্ষণাবেক্ষণ পিছিয়ে যায় এবং স্বল্পমেয়াদি ব্যবহারের জন্য তৈরি যন্ত্রপাতির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

এই অগ্নিকাণ্ডটি জেরাল্ড ফোর্ডটির একাধিক প্রযুক্তিগত ও লজিস্টিক সমস্যার সর্বশেষ উদাহরণ। এর আগে জাহাজটির বিভিন্ন রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা, যেমন প্লাম্বিং ত্রুটির কথাও উঠে এসেছে। বর্তমানে জাহাজটি তার ফ্লাইট অপারেশন চালিয়ে যাচ্ছে এবং মার্কিন নৌবাহিনীর সামনের সারির সামরিক উপস্থিতির অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

তবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, খুব শিগগিরই আরেকটি ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ এসে এটিকে প্রতিস্থাপন করতে পারে।